নেটওয়ার্ক টপোলজি হলো এটি নেটওয়ার্কের ফিজিক্যাল ডিভাইস বা কম্পোনেন্ট। যেমন- ক্যাবল, পিসি, রাউটার ইত্যাদি যেভাবে নেটওয়ার্কে পরস্পরের সাথে সংযুক্ত থাকে তাকে বলা হয় টপোলজি।
সুইচ: সুইচ ধরনের কানেকটিভিটি ডিভাইস, যা সিগনাল রিসিভ করার পর তা সরাসরি টার্গেট পোর্ট বা নোডসমুহে পৌছায়।
নেটওয়ার্ক সুইচ আর নেটওয়ার্ক হাব কম্পিউটার নেটওয়ার্কি এর মুল স্তম্ভ। নেটওয়ার্কিং এর ক্ষেত্রে সুইচ হলো এমন একটি যন্ত্র যা লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্কের বিভিন্ন অংশের মধ্যে তথ্য প্যাকেট আদানপ্রদানের সময় ফিল্টারিং এবং প্যাকেট ফরোয়ার্ডিং করতে পারে। সুইচ ওএসআই লেয়ারের অন্যতম ডাটা লিঙ্ক লেয়ারে কাজ করে। তবে কখনো কখনো এটি নেটওয়ার্ক লেয়ারেও কাজ করে। যেসব লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্ক (ল্যান) তাদের বিভিন্ন অংশের মধ্যে যোগাযোগের জন্য সুইচ ব্যবহার করে তাদের বলা হয় সুইচড ল্যান।
ইন্ট্রানেট:Intranet (ইন্ট্রানেট) একটি তথ্য পোর্টাল যা বিশেষভাবে ছোট এবং মাঝারি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের অভ্যন্তরীণ যোগাযোগের জন্য ডিজাইন করা হয় । Intranet (ইন্ট্রানেট) হচ্ছে প্রাইভেট নেটওয়ার্কিং সিস্টেম । এটি সাধারণত কোন প্রতিষ্ঠানের নিজেদের মধ্যে যোগাযোগের মাধ্যম । এটি অনেকগুলো লোকাল নেটওয়ার্ক এর সংযোগে গঠিত । এটি WAN বা Wide Area Network এর মাধ্যমে নিজেদের নির্দিষ্ট নেটওয়ার্কে যুক্ত থাকে। এটি একটি প্রতিষ্ঠান দ্বারা সম্পূর্ণ সংরক্ষিত এবং সুরক্ষিত থাকে ।
ইন্টারনেট: ইন্টারনেট হচ্ছে ইন্টারকানেক্টেড নেট্ওয়ার্ক (Interconnected Network) এর সংক্ষিপ্ত রূপ। এটা বিশেষ গেটওয়ে বা রাউটারের মাধ্যমে কম্পিউটার নেটওয়ার্কগুলো একে-অপরের সাথে সংযোগ করার মাধ্যমে গঠিত হয়। ইন্টারনেটকে প্রায়ই নেট বলা হয়ে থাকে।
ই-মেইল: ই-মেইল তথা ইলেক্ট্রনিক মেইল হল ডিজিটাল বার্তা যা কম্পিউটার নেটওয়ার্কের মাধ্যমে প্রেরণ করা হয়। ১৯৭২ খ্রিস্টাব্দে তদানিন্তন আরপানেটে সর্বপ্রথম ইলেক্ট্রনিক মেইল প্রেরণ করা হয়। ই-মেইল পেতে প্রথম দিকের ই-মেইল ব্যবস্থায় প্রেরক এবং প্রাপক দুজনকেই অনলাইনে থাকতে হত। এখনকার ই-মেইলগুলোতে এই সমস্যা নেই। ই-মেইল সার্ভারগুলো মেইল গ্রহণ করে এবং সংরক্ষণ করে পরে পাঠায়। ব্যবহারকারী বা প্রাপককে অথবা কম্পিউটারকে অনলাইনে থাকার প্রয়োজন হয় না শুধু মাত্র কোন ই-মেইল সার্ভারে থাকলেই সচল ই-মেইল ঠিকানা থাকলেই হয়।
ফ্যাক্স: ফ্যাক্স, যা কি-না ইংরেজি ফ্যাকসিমিলি শব্দের সংক্ষেপ, একটি ইলেক্ট্রনিক যন্ত্র যা কোন কাগজ বা দলিলের ছবি ডিজিটাল পদ্ধতির টেলিফোন তারের সহায়তায় দূরমুদ্রণে সক্ষম। AXটেলিফোনে শব্দ প্রেরণ করা হয়, ফ্যাকস-এর মাধ্যমে তেমনি ইলেকট্রণিক ছবি প্রেরণ করা হয়। কার্যত: ফ্যাক্স মেশিন ছবি বা দলিলের ইলেক্ট্রণিক প্রতিচিত্র তৈরী, প্রেরণ, গ্রহণ ও মুদ্রণে সক্ষম একটি যন্ত্র।
কোন কাগজে লিখিত তথ্য অবিকৃত অবস্থায় দ্রুততম সময়ে দুর দুরান্তে পাঠানোর পদ্ধতি। এটি মূলত: একটি যন্ত্রের নাম যার মাধ্যমে ফ্যাক্স করা যায়। টেলিফোন লাইন এ ফ্যাক্স যন্ত্র বসানোর মাধ্যমে এটি ব্যবহার হয়। টেলিফোন লাইনই এর তথ্য পরিবাহক। এটি টেলেক্স এর উত্তরকালে উদ্ভাবিত একটু বিশেষ উপযোগী যন্ত্র। বিংশ মতাব্দীর শেষভাগে টেলেক্স ও টেলিগ্রাম ব্যবহার প্রায় বন্ধ হয়ে যায়। পরিবর্তে ফ্যাক্স-এর ব্যবহার দ্রুত বৃদ্ধি পায়।
আবিষ্কার, ১৯৪২ সালে স্কটল্যান্ডের বিজ্ঞানী আলেকজান্ডার বেইন ফ্যাক্স আবিস্কার করেন।১৮৫০ সালে ইংল্যান্ডের বিজ্ঞানী ফেডরিক ব্ল্যাকওয়েল এবং ১৯০৭ সালে জার্মান বিজ্ঞানী আর্থার কর্ন (Korn) এর উন্নত রূপ দান করেন।
যোগাযোগ:যোগাযোগ হল তথ্য আদান প্রদানের উপায়। মানুষ থেকে মানুষ বা যন্ত্র থেকে যন্ত্রে তথ্য আদান প্রদান হতে পারে। মাধ্যম-ও হতে পারে শব্দ , বিদ্যুৎ, তড়িৎচৌম্বক বিকিরণ (আলো বা রেডিও-ওয়েভ)। এছাড়াও যোগাযোগের মাধ্যমে মনের ভাব আদান প্রদান করা হয়।
উপাও: উপাত্ত বলতে এমন কিছু তথ্যকে বোঝায় যা নির্দিষ্ট কোনো চলকের বা এক সেট চলকের গুনগত ও পরিমাণ গত ধর্মাবলিকে প্রকাশ করে। বেশিরভাগ সময় কোনো পরিমাপ প্রক্রিয়ার ফল স্বরূপ এসব উপাত্ত সংগৃহীত হয়। উপাত্তকে কানেকটিভিটি গ্রাফ, লেখচিত্র বা চলকসমূহের মান তালিকা রূপে উপস্থাপন করা হতে পারে। উপাত্তকে অনেক সময় সবচেয়ে নিচের স্তরের বিমূর্ত ধারণা হিসাবে দেখা হয়, যেখান থেকে তথ্য বা জ্ঞান আহরণ করা হয়ে থাকে।